সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা থানা পুলিশের চেকপোস্ট পরিচালনা সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। নওগাঁর বদলগাছীতে ধান বোঝাই ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধার মৃত্যু পাবনায় আওয়ামী দোষর ছাত্রহত্যা মামলার আসামী পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ আশে পাশের অফিসগুলো নিয়ন্ত্রন করছেন রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার-৩ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ দুবাইতে গ্রেফতার  পাবনার আতাইকুলায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তের বাড়ি দোকানঘরে আগুন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন পাবনা  ঈশ্বরদীর ৬ জনসহ জেলার মাদকবিরোধী ও বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেপ্তার পাবনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালী লিফলেট বিতরণ পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রশিক্ষণ পেলে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না: ভূমিমন্ত্রী মিনু

দুদকের ৬ মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে জেল হাজতে প্রেরন

দুদকের ৬ মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে জেল হাজতে প্রেরন

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা :
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ছয়টি মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে পাবনা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, পাবনা মানসিক হাসপাতালে থাকাকালীন কেনাকাটা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শহিদুল আলম বাদী হয়ে ডা. তন্ময়ের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করেছিলেন। এই মামলাগুলোতে আজ নির্ধারিত হাজিরা দিতে তিনি আদালতে উপস্থিত হন। ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসের পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন পেশ করলে দুদকের প্রসিকিউশন পক্ষ এর তীব্র বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে জামিন আবেদন নাকচ করেন এবং তাকে সরাসরি পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস হাসপাতালের ওষুধ ও খাবার সরবরাহসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে সরকারের বিপুল অংকের আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন। দীর্ঘ তদন্তের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল। সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তার জেল হাজতে যাওয়ার খবরে পাবনার সচেতন মহলে এবং স্বাস্থ্য বিভাগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

Design & Developed BY Hostitbd.Com